বে নামাজীর শাস্তি

বে নামাজীর শাস্তি

বে নামাজীর শাস্তিঃ আল্লাহ তায়ালা বে-নামাজিদের জন্য ১৪টি শাস্তি নিদির্ষ্ট করে রেখেছেন।নামায না পড়াকে যারা ছোটখাট বিষয় মনে করেন, তাঁদের উদ্দেশ্যে বলছি- আসুন যেনে নেই নামাজ না পড়ার ভয়াবহতা কত ।

আল্লাহ কুরআনে বার বার জোর দিয়ে বলেছেনঃ
যালিকা ইয়াওমুল হাক্কু” – এই দিন নিশ্চিতই আসবে! 

যারা নামায পড়বেনা তাদের মাথা পাথর দিয়ে আঘাত করে চূর্ণ বিচূর্ণ করে দেওয়া হবে…

ইহজগৎ এ বে নামাজীর ৫টি শাস্তি
১। বেনামাযীর জীবনে কোন বরকত থাকবে না।জীবিকা নির্বাহে বরকত উঠে যাবে।
২। তার চাহেরা হতে নেক লোকের চিহ্ন উঠিয়ে নেয়া হয়।
৩। বেনামাযী যে কোন নেক কাজ করুক না কেন, আল্লাহ্র নিকট তার কোন সওয়াব নেই।।
৪। তার কোন দোয়া ই কবুল হয়না।
৫। বেনামাযীর জন্য কেউ কোন দোয়া করলে আল্লাহ্ তা কবুল করেন না।

বে নামাজীর মৃত্যু কালীন ৩টি শাস্তি 
১। বে-নামাজীর মৃত্যু অত্যন্ত জিল্লতির ( বে-ইজ্জতি) সাথে হবে।
২। মৃত্যুর সময় অনাহারে মারা যাবে।
৩। তার পিপাসা এত বৃদ্ধি পাবে যে কয়েক সাগরের পানি পান করালেও তার পিপাসা নিবৃত্ত হবে না, আকন্ঠ তৃষ্ণা নিয়ে সে মারা যাবে।

কবরে বে নামাজীর শাস্তি 
১। বে-নামাজীর কবর এত সঙ্কীর্ণ করা হবে যে, তার এদিকের পাঁজর ওদিকে এবং ওদিকের পাঁজর এদিকে চলে আসবে।
২। বে-নামাজীর কবরে আগুন জ্বালানো হবে এবং সে ঐ আগুনে জ্বলতে থাকবে।
৩। বেনামাজীর কবরে সুজা- আকরা নামক একটি ভয়ঙ্কর অজগর সাপ কে তার উপর নিয়োগ করা হবে।তার দুই চোখ হবে আগুনের এবং নখগুলো হবে লোহার। সে মৃত ব্যক্তির সাথে কথা বলবে। সে বলবে তোমাকে কঠিন সাস্তি দেয়ার জন্যই আমাকে নিযুক্ত করা হয়েছে। তোমাকে আমি আঘাতের পর আঘাত করতে থাকব।ফজরের নামাজ ত্যাগ করার দরুন যোহর পর্যন্ত,অনুরূপা যোহর, আসর,মাগরিব ও এশার নামাজের জন্য যোহর হতে আসর, আসর হতে মাগরিব, মাগরিব হতে এশা পর্যন্ত এবং পুনরায় এশা হতে ফজর পর্যন্ত আঘাত করব।ঐ অজগরের আঘাত এত কঠিন হবে যে, বেনামাযী প্রতি আঘাতে ৭০ গজ মাটির নিচে ধসে যাবে।। এরূপ কেয়ামত পর্যন্ত শাস্তি হতে থাকবে।।

কেয়ামতের দিন বে নামাজীর ৩টি শাস্তি
১। কেয়ামতের দিন অত্যন্ত কঠিন ভাবে বে-নামাজীর হিসাব নেয়া হবে।।
২। বে-নামাজীর উপর আল্লাহ্র নিকট হতে কহরের শাস্তি হবে।
৩। বে নামাজীকে বহু অপমান করে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।।

আল্লাহ, আমাদের সবাইকে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ যথাযথভাবে আদায় করার তাওফিক দান করুন আর আমাদের সবাইকে এইসব ভয়ঙ্কর আজাব থেকে রক্ষা করুন এবং আমাদের সবাইকে বিনা হিসেবে জান্নাত নসীব করুন। আমিন।

 

Share this post