জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা শুরু

জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা শুরু

আজ বৃহস্পতিবার সারাদেশে একযোগে শুরু হয়েছে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট- জেএসসি ও মাদরাসা শিক্ষার্থীদের জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট-জেডিসি পরীক্ষা।

সকাল ১০টায় বাংলা পরীক্ষার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে এই পরীক্ষা। এবার সারাদেশে অংশ নিচ্ছে ২৯ হাজার ৬৭৭টি প্রতিষ্ঠানের ২৬ লাখ ৭০ হাজার ৩৩৩ শিক্ষার্থী।

নকলমুক্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে গত রোববার থেকে সারাদেশের সব কোচিং সেন্টার বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বেশ কিছু নির্দেশনা দেয়া হয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকেও। পরীক্ষা ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রেও নেওয়া হয়েছে নতুন কয়েকটি সিদ্ধান্ত।

এবার দেশের ২৯ হাজার ৬৭৭টি প্রতিষ্ঠানের ২৬ লাখ ৭০ হাজার ৩৩৩ পরীক্ষার্থী জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষায় অংশে নেবে। তার মধ্যে ১৪ লাখ ৪৬ হাজার ৬০১ ছাত্রী এবং ১২ লাখ ২৩ হাজার ৭৩২ ছাত্র।

৮টি বোর্ডের অধীনে এবার জেএসসিতে ২২ লাখ ৬৭ হাজার ৩৪৩ জন এবং মাদরাসা বোর্ডের অধীনে জেডিসিতে ৪ লাখ ২ হাজার ৯৯০ জন পরীক্ষা দেবে। গত বছর এই পরীক্ষায় ২৪ লাখ ৬৮ হাজার ৮২০ শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল। এবার এই পরীক্ষায় পরীক্ষার্থী বেড়েছে ২ লাখ ১ হাজার ৫১৩ জন। এবার জেএসসিতে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৩৫৩ জন এবং জেডিসিতে ৩৪ হাজার ২৫১ জন অনিয়মিত পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় বসবে বলেও জানা গেছে।

গত বছর জে এস সি ও জেডিসি পরীক্ষায় এক থেকে তিন বিষয়ে যারা অকৃতকার্য হয়েছিল তারাও এবার ওইসব বিষয়ে পরীক্ষা দেবে, এই সংখ্যা জেএসসিতে ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৮৫ জন এবং জেডিসিতে ৩০ হাজার ৫৪৮ জন। বিদেশের৯ টি কেন্দ্রে এবার ৫৭৮ জন জেএসসি পরীক্ষায় অংশ নেবে।

নির্দেশনা অনুযায়ী পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগেই সকালে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার হলে প্রবেশ করেন। আগামী ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত দুই হাজার ৯০৩টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এবারও বাংলা দ্বিতীয় পত্র, ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র ছাড়া অন্য বিষয়ের পরীক্ষা সৃজনশীল প্রশ্নে হবে বলে জানা গেছে। পরীক্ষা চলাকালে পরীক্ষা কেন্দ্রের ২০০ মিটারের মধ্যে শিক্ষক, ছাত্র, কর্মচারীরা মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না।

এবারও প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীরা অতিরিক্ত ২০ মিনিট সময় পাবে। এছাড়া দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, সেরিব্রাল পালসিজনিত প্রতিবন্ধী এবং যাদের হাত নেই তারা শ্রুতি লেখক সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষা দিতে পারবেন। এছাড়া অটিস্টিক, ডাউন সিনড্রোম এবং সেরিব্রাল পালসিজনিত প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীদের অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় বৃদ্ধিসহ শিক্ষক, অভিভাবক বা সাহায্যকারীর বিশেষ সহায়তায় পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ দেয়া হবে।

Share this post