আফগানদের কাছে বাংলাদেশের লজ্জাজনক হার !

আফগানদের কাছে  বাংলাদেশের লজ্জাজনক হার !

১৩৬ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে বাংলাদেশ কে লজ্জা উপহার দিল আফগান বাহিনী।

২৫৬ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই হোঁচট খায় বাংলাদেশ। স্কোর বোর্ডে ১৭ রান উঠতেই দুই ওপেনারকে হারায় টাইগাররা।আফগান তরুণ তুর্কি মুজিব-উর-রহমান বলে আফতাব আলমের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ৭ রানের বেশি করতে পারেননি অভিষিক্ত নাজমুল হোসেন শান্ত।শুরুতে ধাক্কা খাওয়ার পরও ধৈর্যের পরিচয় দিতে পারেননি লিটন দাস। খানিক বাদে আফতাব আলমের এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়ে ফেরেন তিনি। লিটন ফেরেন ৬ রান কোরে। দীর্ঘদিন পর জাতীয় দলে ফেরা মুমিনুলও দিতে পারেননি আস্থার প্রতিদান। করেছেন ৯ রান। আগের ম্যাচে হাফসেঞ্চুরিয়ান আউট হয়েছেন ২ রানে।

সেই বিপর্যয়ের মধ্যে আশার আলো দেখিয়ে লড়াইয়ের চেষ্টা চালান সাকিব। তাকে দারুণ সঙ্গ দিতে থাকেন মাহমুদউল্লাহ। তাতে বিপর্যয় কাটিয়ে উঠার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন টাইগাররা। তবে স্বপ্ন ভেস্তে যায় রশিদ খানের দুর্দান্ত গুগলিতে সাকিব (৩২) এল বি ডব্লিও ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ বোল্ড  হয়ে  ফিরলে। আর উঠে দাঁড়াতে পারেনি বাংলাদেশ দল।

সব উইকেট হারিয়ে  বাংলাদেশ দলের সংগ্রহ ১১৯ রান।

আফগানিস্তানের হয়ে রশিদ খান ,মুজিব-উর-রহমান , গুলবুদিন প্রত্যেকে নেন ২ উইকেট করে।

এর আগে টস জিতে আবুধাবিতে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি আফগানিস্তান। অভিষেক ম্যাচের প্রথম ওভারেই উইকেট তুলে নেন আবু হায়দার রনি। ৮ রানে মোহাম্মদ মিঠুনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ওপেনার ইনসানুল্লাহ জানাত। এক ওভার বিরতি দিয়ে রহমত শাহকে (১০) তুলে নেন রনি। ভয়ঙ্কর হয়ে ওটা হার্ডহিটার মোহাম্মদ শাহজাদকের (৩৭) দিয়ে শুরু করেন সাকিব আল হাসান।

এরপর একে একে অধিনায়ক আজগর আফগান (৮), সামিউল্লাহ সেনওয়ারী (১৮), এবং মোহাম্মদ নবীকে (১০) তুলে নেন তিনি। মাঝে অর্ধশতক (৫৮) হাঁকানো হাসমতুল্লাহ শহিদীকে উইকেটের পেছনে লিটন দাসের তালুবন্দী করান রুবেল হোসেন।

১৬০ রানে ৭ উইকেটা হারিয়ে ধুকতে থাকা আফগানিস্তান শিবিরে স্বস্তি ফেরান গুলবুদিন নবী এবং রশিদ খান। মাত্র ৩২ বলে ৫৭ রান করে অপরাজিত থাকেন রশিদ খান। ৩৮ বলে গুলবুদ্দিনের ব্যাট থেকে আসে অপরাজিত ৪২ রান।

বাংলাদেশের হয়ে ৪ উইকেট তুলে নেন সাকিব। অভিষেক প্রাপ্ত রনি নেন ২ উইকেট ।

Share this post