আদালতে জাবালে নূরের ঘাতক বাসের চালকের স্বীকারোক্তি

আদালতে জাবালে নূরের ঘাতক বাসের চালকের স্বীকারোক্তি

বিমানবন্দর সড়কে বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন জাবালে নূর বাসের চালক মাসুম বিল্লাহ।

বুধবার (৮ আগস্ট) ঘাতক চালককে ঢাকার সিএমএম আদালতে হাজির করে স্বীকারোক্তি রেকর্ড করার আবেদন করেন ডিবি পুলিশের ইন্সপেক্টর কাজী শরিফুল ইসলাম।

মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট গোলাম নবী আসামির জবানবন্দি রেকর্ড করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

জবানবন্দিতে মাসুম বিল্লাহ বলেন, ‘বেশি ভাড়া পাওয়ার আশায় আগে যাত্রী উঠানোর জন্য তিনটি বাসের সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছিলাম। ছাত্ররা রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকায় ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের ওপর বাস উঠিয়ে দেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘জাবালে নূর বাসের (যার রেজি. নং ঢাকা মেট্রো-ব-১১-৯২৯৭) চালক আমি। গত ২৯ জুলাই জিল্লুর রহমান ফ্লাইওভারের নিচে দাঁড়িয়ে থাকা শহীদ রমিজ উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ১৪-১৫ জন ছাত্রছাত্রীর ওপর ইচ্ছাকৃতভাবে গাড়ি উঠিয়ে দিয়ে তাদের গুরুতর জখম করি। গাড়ি থেকে নেমে পালিয়ে যাই। আমার গাড়ির আঘাতেই রমিজ উদ্দিন কলেজের দুজন শিক্ষার্থী নিহত হন। আহত হয় ৮-১০ জন।’

উল্লেখ্য যে গত ২৯ জুলাই বিমানবন্দর সড়কে জাবালে নূর পরিবহনের একটি বাস আরেকটি বাসের সাথে পাল্লা দিতে গিয়ে বেপরোয়া গতিতে হোটেল র‌্যাডিসনের বিপরীত পাশে  শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের অপেক্ষমাণ ১৪/১৫ জন ছাত্রছাত্রীকে চাপা দেয়।ওই দুর্ঘটনায় মারা যায় শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের শিক্ষার্থী দিয়া খানম মিম ও আবদুল করিম রাজীব। আহত হয় আরো কয়েকজন।

এ ঘটনায় নিহত দিয়া খানম মিমের বাবা জাহাঙ্গীর আলম এ মামলা দায়ের করেন।

পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বাস চালক মাসুম বিল্লাহকে গ্রেপ্তারের পর আদালতের মাধ্যমে রিমান্ডে নেয়। সাতদিনের  রিমান্ড শেষে আদালতে জবানবন্দি দিলেন তিনি।

 

Share this post